সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

মেঘনা-তেঁতুলিয়ায় মিলছে না কাঙ্খিত ইলিশ

মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মিলছে না কাঙ্খিত ইলিশ। মাছ না পেয়ে হতাশা নিয়ে ফিরছেন ভোলার জেলেরা। তারা বলছেন নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর নদীতে ২/১ দিন কাঙ্খিত মাছ পেলেও ফের উধাও রূপালি ঝিলিক। তবে ইলিশ পাওয়ার আশায় প্রতিদিন নদীতে গিয়ে ট্রলারের জ্বালানির খরচও উঠছে না। তাই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দু’বেলা আহার জোগাড়ই মুশকিল হয়ে পড়েছে।

তিন সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা শেষে ২৯ অক্টোবর থেকে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ শিকারে যান ভোলার জেলেরা। প্রথম দুই দিনে দেখা মেলে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মিলছে না কাঙ্খিত ইলিশ। মাছ না পেয়ে হতাশা নিয়ে ফিরছেন ভোলার জেলেরা। তারা বলছেন নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর নদীতে ২/১ দিন কাঙ্খিত মাছ পেলেও ফের উধাও রূপালি ঝিলিক। তবে ইলিশ পাওয়ার আশায় প্রতিদিন নদীতে গিয়ে ট্রলারের জ্বালানির খরচও উঠছে না। তাই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দু’বেলা আহার জোগাড়ই মুশকিল হয়ে পরেছে।

তিন সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা শেষে ২৯ অক্টোবর থেকে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ শিকারে যান ভোলার জেলেরা। প্রথম দুই দিনে দেখা মেলে কাঙ্খিত ইলিশের। এরপর ৪ দিন ধরা পড়ে পাঙ্গাশ। তারপর থেকেই ইলিশ বা পাঙ্গাশ কোনটিরই দেখা নেই। বাধ্য হয়ে জেলেরা ফিরছেন ঘাটে।

নিষেধাজ্ঞাকালে ঋণ করে চালাতে হয়েছে সংসার। এখন মাছ না পাওয়ায় যোগাড় হচ্ছে না এনজিও’র ঋণের কিস্তি। পরিবারের দুবেলা খাবার জোটাতে হিমশিম মৎস্যজীবীদের।

আড়তদাররা বলছে, মাছের অভাবে ব্যবসায় মন্দা তাদের। জেলা মৎস্য অফিস বলছে, শুকনো মৌসুম শুরু হওয়ায় নদ নদীতে পানি কমছে। তাই গভীর সাগরে যাচ্ছে ইলিশ। পর্যাপ্ত ইলিশ পেতে অপেক্ষা করতে হবে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

ভোলার সাত উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ জেলের বসবাস থাকলেও সরকারি নিবন্ধিত মৎস্যজীবী ১ লাখ ৫৭ হাজার। ইলিশের। এরপর ৪ দিন ধরা পড়ে পাঙ্গাশ। তারপর থেকেই ইলিশ বা পাঙ্গাশ কোনটিরই দেখা নেই। বাধ্য হয়ে জেলেরা ফিরছেন ঘাটে।

নিষেধাজ্ঞাকালে ঋণ করে চালাতে হয়েছে সংসার। এখন মাছ না পাওয়ায় যোগাড় হচ্ছে না এনজিও’র ঋণের কিস্তি। পরিবারের দুবেলা খাবার জোটাতে হিমশিম মৎস্যজীবীদের।

আড়তদাররা বলছে, মাছের অভাবে ব্যবসায় মন্দা তাদের। জেলা মৎস্য অফিস বলছে, শুকনো মৌসুম শুরু হওয়ায় নদ নদীতে পানি কমছে। তাই গভীর সাগরে যাচ্ছে ইলিশ। পর্যাপ্ত ইলিশ পেতে অপেক্ষা করতে হবে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

ভোলার সাত উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ জেলের বসবাস থাকলেও সরকারি নিবন্ধিত মৎস্যজীবী ১ লাখ ৫৭ হাজার।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com